আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত আদর্শই বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল পথ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংকটকালে তিনি যেমন সাহসী ভূমিকা রেখেছেন, তেমনি পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বিচার বিভাগের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন। স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করে রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বিএনপি চেয়ারপারসন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনই একদিনে গড়ে ওঠে না, এর পেছনে থাকে দীর্ঘ ত্যাগ ও সংগ্রাম। বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘকাল ধরে যে রাজনৈতিক নিপীড়ন ও মামলার শিকার হয়েছেন, তা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বড় ভূমিকা রেখেছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে একই ধারার গণতান্ত্রিক সংগ্রাম হিসেবে মূল্যায়নের আহ্বান জানান।
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমিতির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলতুতমিশ সওদাগর এ্যানি। আলোচনা সভা শেষে শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জিয়ার আদর্শই পথপ্রদর্শক। ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

0 Comments