Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

কক্সবাজারে তীব্র তাপপ্রবাহ ও লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত পোলট্রি খাত, হিট স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে শত শত মুরগি

কক্সবাজারে তীব্র তাপপ্রবাহ ও লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত পোলট্রি খাত, হিট স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে শত শত মুরগি

কক্সবাজারে প্রচণ্ড গরম, তীব্র লোডশেডিং এবং ডিজেল সংকটে পোলট্রি খাতে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। পর্যাপ্ত আলো, বাতাস ও পানির অভাবে বিভিন্ন খামারে প্রতিদিন শত শত মুরগি হিট স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে। কক্সবাজার ব্রয়লার মালিক সমিতির তথ্যমতে, জেলার প্রায় ৯০ শতাংশ খামার বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল হলেও দৈনিক সাত থেকে আট ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে খামারিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। অতিরিক্ত গরমে মুরগি মারা যাওয়া এবং লোকসানের মুখে পড়ে জেলায় ইতিমধ্যে দুই হাজারের বেশি খামার বন্ধ হয়ে গেছে।

সদর উপজেলার ঝিলংজা ও খুরুশকুলসহ বিভিন্ন এলাকার খামারিরা জানিয়েছেন, লোডশেডিংয়ের সময় জেনারেটর চালানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল না থাকায় মুরগি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কক্সবাজার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, শহরে দৈনিক ২০ থেকে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। খামারিদের অভিযোগ, একদিকে মুরগির খাদ্যের দাম বস্তাপ্রতি ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৬০০ টাকা হয়েছে, অন্যদিকে ডিমের দাম উৎপাদন খরচের চেয়েও কমে গেছে। একটি ডিম উৎপাদনে সাড়ে ৯ থেকে ১১ টাকা খরচ হলেও তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭ থেকে ৮ টাকায়।

রামু, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীতেও অনেক খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ এম খালেকুজ্জামান জানান, অধিকাংশ খামারে আধুনিক ভেন্টিলেশন ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। অতিরিক্ত গরমে হিট স্ট্রোকে মুরগি মারা যাওয়ার পাশাপাশি জেলায় ডিম উৎপাদনও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমে গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খামারিদের পরিবেশবান্ধব খামার গড়ার পরামর্শ দিচ্ছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

সংক্ষেপে:
কক্সবাজারে প্রচণ্ড গরম ও লোডশেডিংয়ে হিট স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে শত শত মুরগি। উৎপাদন খরচ বাড়লেও ডিমের দাম কমায় লোকসানে পড়ে বন্ধ হয়ে গেছে দুই হাজারের বেশি খামার। দিশাহারা হয়ে পড়েছেন জেলার খামারিরা।

Post a Comment

0 Comments