(০২মে) শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সতর্কমূলক সড়কের কাজ চলতাছে এরকম কোন সাইনবোর্ড নেই৷ বৃষ্টির কারণে সড়কে মাটি পড়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে৷ এর উপর হালকা বালু দিয়েই নিজেদের মতো করা হচ্ছে সড়কের কাজ৷ দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরেও তদন্তে আছে এরকম সরকারি কোন কর্মকর্তা দেখা মিলেনি৷ বিভিন্ন পত্রিকার নিউজ হওয়ার পরেও ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্ন মানের খোয়া। এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, বালির পরিবর্তে পাহাড়ি ও পরিত্যক্ত স্থান থেকে আনা মাটি ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি সংস্কার করা হচ্ছে। তবে কাজে সরকারি নীতিমালা ও মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর এক সহকারী সরেজমিনে গিয়ে অনিয়মের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন।
স্থানীয়রা বলেন, এ পর্যবেক্ষণের পরও কয়েকদিন বিরতি দিয়ে পুনরায় একইভাবে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা আরও জানান, সড়কের বিভিন্ন অংশে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় বর্ষা মৌসুমে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজের যথাযথ তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিয়ম করার সুযোগ পাচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) লোহাগাড়া উপজেলা প্রকৌশলী কাজি ফাহাদ বিন মাহমুদ'র কাছে জানতে চাইলে ফোন কল রিচিব হয়নি৷ অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোন উত্তর আসেনি৷
0 Comments