সব প্রস্তুতি শেষে চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জে পণ্যভিত্তিক আগাম লেনদেন বা ডেরিভেটিভস চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান। রোববার রাজধানীর বিজয়নগরে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ তথ্য জানান। সিএসই ও সিএমজেএফ যৌথভাবে ‘কমোডিটি এক্সচেঞ্জ: বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সিএসই চেয়ারম্যান জানান, নতুন এই ডেরিভেটিভস সেগমেন্ট চালু করতে সিএসই ইতিমধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কার্যক্রমটি পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু করতে আরও বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। মূলত ২০২৩ সাল থেকে এই প্রস্তুতি চললেও কিছু কারণে গত বছর এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানান, কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সাধারণ পণ্য কেনাবেচার পরিবর্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনুমোদিত নির্দিষ্ট পণ্যের ফিউচার কন্ট্রাক্ট লেনদেন হবে। শুরুতে জটিলতা এড়াতে সিএসই শুধুমাত্র ক্যাশ সেটেলমেন্ট পদ্ধতি অনুসরণ করবে। ফিজিক্যাল ডেলিভারি বা সরাসরি পণ্য সরবরাহের বিষয়টি দ্বিতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ফারজানা লালারুখ। তিনি বলেন, ডেরিভেটিভস বাজারকে শক্তিশালী করতে কমিশন কাজ করছে। এটি দেশের পুঁজিবাজারের তৃতীয় পিলার হিসেবে কাজ করবে। সিএসইর প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে দ্রুত এটি চালুর অনুমতি দেওয়া হবে। সিএমজেএফ সভাপতি মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার ও সিএমজেএফ সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব।
সব প্রস্তুতি শেষে চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। শুরুতে ক্যাশ সেটেলমেন্ট পদ্ধতিতে পণ্যভিত্তিক আগাম লেনদেন বা ডেরিভেটিভস শুরু হবে।

0 Comments