Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে আবারও চার শতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও রেস্তোরাঁ নির্মাণ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে আবারও চার শতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও রেস্তোরাঁ নির্মাণ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা ও আশপাশের বালিয়াড়ি দখল করে আবারও চার শতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও রেস্তোরাঁ নির্মাণের হিড়িক পড়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে রাতের অন্ধকারে এসব স্থাপনা গড়ে উঠলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর বাধা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। গত চার-পাঁচ দিনে সুগন্ধা পয়েন্ট, কলাতলী সৈকত ও সিগাল হোটেলের সামনের ঝাউবাগান দখল করে এসব দোকান বসানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনার পর ১২ মার্চ যৌথ বাহিনী সুগন্ধা পয়েন্টে ৯৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল। উচ্ছেদ পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালিয়াড়ি রক্ষায় জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেও বর্তমানে সেই নির্দেশনা অমান্য করে আবারও দখল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকান ভ্যানগাড়ির ওপর চাকা লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যাতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে দ্রুত সরিয়ে ফেলা যায়।

পরিবেশবাদীদের মতে, ১৯৯৯ সালে সরকার কক্সবাজার সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করায় বালিয়াড়িতে যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বালিয়াড়ি ও সাগরলতা ধ্বংস করে এসব স্থাপনা নির্মাণ পর্যটকদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করছে। কক্সবাজার হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতিও সৈকতের এই পুরোনো চেহারায় ফিরে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, ইতিপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় কয়েক দফা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে সম্প্রতি উচ্ছেদ হওয়া ব্যক্তিরা উচ্চ আদালতে রিট করেছেন। আদালত থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। রিটের জবাব প্রদানের পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংক্ষেপে:
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে আবারও চার শতাধিক অবৈধ দোকানপাট গড়ে উঠেছে। প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক মাস পরেই ঈদুল আজহার ছুটিতে রাতের অন্ধকারে এসব স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক পড়েছে।

Post a Comment

0 Comments