শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। তবে আদালতের সময় না থাকায় সেদিন মামলার শুনানি হয়নি। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগারে যাওয়ার সময় আপেল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত আছেন এবং তাদের ডাকে সবাই মাঠে নামবেন। গ্রেপ্তার করে তাদের দাবিয়ে রাখা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, শুধু আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ার কারণেই তাকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার সকালে গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৬ মার্চ সকাল আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে শাহবাগ থানাধীন গোলাপ শাহ মাজারসংলগ্ন একটি মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং উসকানিমূলক স্লোগান দিচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালালে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া করে মো. আপেল মাহমুদ (৩৭) নামের একজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
এ ঘটনায় শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মো. তৌফিক হাসান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
0 Comments