ডিও লেটারে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারা দেশের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা প্রদানের সার্বিক সেবার মান উন্নয়ন সরকারের দায়িত্ব।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অতীতে শিক্ষা খাতের উন্নয়নের পরিবর্তে অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো খাতে বেশি অর্থ ব্যয় হওয়ায় শিক্ষার বাজেট সংকুচিত হয়েছে। এর ফলে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক অবস্থানে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে সরকার শিক্ষা খাতে আনুপাতিক বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
ডিও লেটারে বলা হয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৫১ জন। তারা বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে এ ভাতা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত ১০ শতাংশ উৎসব ভাতা বাড়ানোর ফলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য বছরে অতিরিক্ত ১৯০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ মোট অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৮৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে এই আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হলে শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত হবে এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।
0 Comments