জানা গেছে, চিকিৎসকদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী এই আকস্মিক পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, হাসপাতালে কর্তব্যরত ২১ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৮ জন উপস্থিত ছিলেন, ৮ জন অনুপস্থিত এবং ৫ জন ছুটিতে রয়েছেন। উপস্থিত ৮ জনের মধ্যে আবার ২ জন নির্ধারিত সময়ের পর হাসপাতালে এসেছেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের সার্বিক সেবা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তাররা সময়মতো আসেন না—এমন অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তিনি সকালে হাসপাতালে আসেন এবং বাস্তবেও এর সত্যতা পেয়েছেন। তিনি বলেন, আজ কর্তব্যরত ১৬ জন ডিউটি ডাক্তারের মধ্যে মাত্র ৮ জন উপস্থিত ছিলেন। ডাক্তাররা মানবিক কাজ করেন এবং স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু তারা যদি সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সেবা ব্যাহত হয়। যারা উপস্থিত হননি তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার নগদ অর্থ দিয়ে রেবিক্স টিকা কিনছে এবং দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই টিকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ফলে দেশে রেবিক্স টিকার আর কোনো সংকট থাকবে না।
পরিদর্শনের সময় পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ, পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুন এবং পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কুতুবুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
0 Comments