হলফনামা সূত্রে জানা যায়, তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযুক্ত নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামায় আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং আলাদাভাবে জীবনযাপন করছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তোলেন তিনি। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালুর প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের খবর পাওয়ার পর তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।
0 Comments