সোমবার (২ মার্চ) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহতদের একজন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে বসবাসকারী সিলেটের বড়লেখার বাসিন্দা সালেহ আহমেদ। তিনি নাগরিক স্থাপনায় আকাশ থেকে নেমে আসা ধ্বংসাবশেষে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে প্রাণ হারান। বাহরাইনেও একই ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন এবং সেখানে তিনজন আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ দূতাবাস সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মানামায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হলে মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করা হবে।
কুয়েতে ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তারা হলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের আমিনুল ইসলাম, পাবনার সাথিয়ার রাবিউল ইসলাম, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মাসুদুর রহমান ও কুমিল্লার চাঁদিনার দুলাল মিয়া। তারা চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে স্থিতিশীল আছেন। কুয়েত দূতাবাস নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে অবস্থান করছে। দূতাবাস জাহাজের ক্যাপ্টেনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং সব ক্রু সদস্য নিরাপদ রয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সেখানে বসবাসরত ছয় মিলিয়নেরও বেশি বাংলাদেশির নিরাপত্তা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রবাসীদের সতর্ক থাকতে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
0 Comments