এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হামলার মাত্রা বাড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে স্কট বেসেন্ট বলেন, আজ রাতে ইরানে “আমাদের সবচেয়ে বড় বোমাবর্ষণ কর্মসূচি” পরিচালিত হবে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তার ভাষায়, এসব সামরিক অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে অকার্যকর করে দেওয়া হবে।
এ সময় বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তোলেন এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইরানের নীতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে।
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ৩০ দিনের জন্য সাগরে আটকে থাকা রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি দিয়েছে। বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে কোটি কোটি ব্যারেল তেল সাগরে আটকে আছে এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।
0 Comments