টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করে পাকিস্তান। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন নাহিদ। তিনি ২৪ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে দেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার প্রথম ফাইফার। এছাড়া অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ দুটি উইকেট নেন এবং তাসকিন আহমেদ একটি উইকেট শিকার করেন।
পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেটের দেখা মেলেনি। পরে স্পিন আক্রমণে আসেন অধিনায়ক মিরাজ। তবে প্রকৃত ব্রেকথ্রু এনে দেন তরুণ পেসার নাহিদ। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সাহিবজাদা ফারহানকে ফিরিয়ে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তিনি।
এরপর নিজের পরের চার ওভারের সবকটিতেই উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন নাহিদ। তিনি শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান।
পরে মিরাজ আব্দুল সামাদ, হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদিকে আউট করে চাপ আরও বাড়ান। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে উইকেট পান তাসকিন আহমেদও, যিনি মোহাম্মদ ওয়াসিমকে আউট করেন।
৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে শেষ দিকে ফাহিম আশরাফ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলকে শতরান পার করতে সহায়তা করেন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে ১১৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। ৪ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ২৭ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তবে অন্য প্রান্তে ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান তামিম।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ৩২ বলে ফিফটি করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৩ বলে ২৭ রান করেন।
১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান তুলে সহজেই ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।
0 Comments