মঙ্গলবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম পররাষ্ট্রনীতি বৈঠকে খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের বিষয়ে কঠোর ও অনমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, দুটি মধ্যস্থতাকারী দেশ ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উত্তেজনা কমানো বা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পৌঁছে দেয়। তবে প্রস্তাবের বিস্তারিত বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের জবাবে খামেনি বলেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরাজয় স্বীকার করে ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।’’
এক সপ্তাহ আগে পিতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্থলাভিষিক্ত হয়ে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার নতুন কোনো ছবি প্রকাশ করা হয়নি। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, পূর্ববর্তী হামলায় তিনি সামান্য আহত হয়েছেন, যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা গুরুতর আঘাতের কথা বলেছেন।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে।
গত সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে খামেনি বলেন, শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা হবে।
0 Comments