প্রসিকিউশন জানায়, বিস্ফোরক মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে নূর তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে এসেছে। এ বিষয়ে বিস্ফোরক মামলার চিফ প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, আইনি প্রক্রিয়া অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আসামির সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৮০০ জন। মামলায় প্রায় ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সাক্ষীর জবানবন্দিতে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এসেছে বলে প্রসিকিউশন দাবি করেছে।
মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। ৫ আগস্টের পর এই মামলার কয়েকশ’ আসামি জামিন পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালতের রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে হাইকোর্ট ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২৮৩ জন খালাস পান। বিস্ফোরক আইনের মামলাটি এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
0 Comments