মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে গভীর সাগরে ১৭ জন মাঝিমাল্লা বহনকারী একটি ফিশিং ট্রলারের জালে এসব মাছ ধরা পড়ে।
জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মিজান ও হারুনের যৌথ মালিকানাধীন ট্রলারটিতে মাছগুলো ধরা পড়ে। গত এক সপ্তাহ ধরে আরাকান আর্মির ভয়ে সাগরে যেতে না পারলেও গত শনিবার জেলেরা মাছ ধরতে রওনা দেন।
ট্রলারের হেড মাঝি রহমত উল্লাহ জানান, মঙ্গলবার বিকেলে জাল তুলতেই বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ দেখতে পান তারা। প্রতিটি মাছের ওজন ছিল প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কেজি।
একই দিন রাত ১১টার দিকে ট্রলারটি টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়া ফিশিং ঘাটে পৌঁছালে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। পরে মাছ কিনতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
প্রাথমিকভাবে মাছগুলোর দাম ৪৫ লাখ টাকা হাঁকা হলেও দর-কষাকষির পর ব্যবসায়ী রশিদ আহমদ প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে পুরো চালানটি কিনে নেন।
ট্রলার মালিক মোহাম্মদ মিজান বলেন, এত বিপুল পরিমাণ মাছ পেয়ে তারা অত্যন্ত আনন্দিত এবং আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন।
0 Comments