মোতায়েনকৃত বাহিনীর মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ১৬৬ জন সেনাসদস্য, ৮৮০ জন বিজিবি সদস্য, ৩৯৯ জন নৌবাহিনীর সদস্য, ৫০ জন বিমান বাহিনীর সদস্য, ১৪৫ জন কোস্টগার্ড সদস্য, ৮০ জন র্যাব সদস্য, ১৯০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য এবং ১ হাজার ৮১৫ জন পুলিশ সদস্য। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন আনসার ও ভিডিপির ৭ হাজার ৭৭৪ জন সদস্য; প্রতি কেন্দ্রে আনসার-ভিডিপির ১৩ জন করে সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।
সীমান্তবর্তী অবস্থান, উপকূলীয় ভৌগোলিক বাস্তবতা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন জনপদ থাকার কারণে কক্সবাজার জেলাকে বরাবরই নির্বাচনী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথবাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি, কঠোর নজরদারি ও সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে মাঠে কাজ করছে। ভোটগ্রহণের আগে, ভোটের দিন এবং ভোট-পরবর্তী সময়সহ পুরো নির্বাচনকালীন সময়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর বাইরে যাতায়াত কার্যত বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকা, সীমান্ত, উপকূল ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী, এপিবিএন, বিজিবি, আনসার, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ৩৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আ. আজিজ জানান, কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩৫৭ জন। জেলার ৫৯৮টি ভোটকেন্দ্রের ৩ হাজার ৬৮৯টি কক্ষে ভোটগ্রহণ পরিচালনা করবেন ১২ হাজার ২৫১ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার রয়েছেন ৪ হাজার ৫০৩ জন এবং পোলিং অফিসার রয়েছেন ৭ হাজার ৭৪৮ জন।
0 Comments