প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, মানসিক স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়ন, শেল্টার-ক্যাম্প ম্যানেজমেন্ট এবং পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে নারী, যুব ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ওপর।
সম্প্রতি ক্যাম্প-২৭ এ আয়োজিত উদ্বোধনী সভায় জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ও ক্যাম্প ইনচার্জ খান শাহজাদা বিন মান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, পরিকল্পনায় হাতি চলাচলের করিডোর এবং হাতি-বান্ধব গাছ রোপণের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের উপদেষ্টা সুব্রত কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, এটি শুধু ব্র্যাক নয়, বরং অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এর সফল বাস্তবায়ন রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য টেকসই সমাধান বয়ে আনবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী সচিব শহিদুল ইসলাম মির্জা, ব্র্যাক এইচসিএমপি’র প্রধান আব্দুল্লাহ আল রায়হান, কর্মসূচি ব্যবস্থাপক আফছার আলীসহ বিভিন্ন সেক্টরের সমন্বয়ক ও কর্মকর্তারা।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার সাত বছর পরেও কক্সবাজারে শরণার্থী ও স্থানীয় মানুষ দীর্ঘায়িত সংকটের মধ্যে আছে। সহায়তা তহবিল হ্রাস, সামাজিক চাপ বৃদ্ধি এবং নতুন চাহিদার কারণে সীমিত সম্পদের ওপর চাপ বেড়ে চলেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই বছর মেয়াদি এই প্রকল্পটি দক্ষতা, জবাবদিহিতা ও টেকসই সমাধানের পথ দেখাবে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৫ মে ব্র্যাক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে উখিয়ার রাজাপালং, পালংখালি, টেকনাফের নীলা ইউনিয়ন এবং ক্যাম্প ১ ইস্ট, ১৭, ২৬ ও ২৭ এ এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
0 Comments