র্যাব জানায়, পাচারের উদ্দেশ্যে ঘরে ইয়াবার চালান মজুত করা হয়েছিল। প্রাথমিক তল্লাশিতে কয়েক হাজার ইয়াবা উদ্ধার হলেও গোপন খবর অনুযায়ী আরও মজুত থাকার সন্দেহে প্রশিক্ষিত দুটি কুকুর আনা হয়। কুকুরের সহায়তায় ঘরের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাওয়া যায়।
র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক বলেন, কুকুরের সহায়তায় এত বড় চালান উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। আটককৃতদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে টেকনাফ মডেল থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
0 Comments