তিনি জানান, অপহৃত ট্রলারগুলোর মধ্যে ৩টি টেকনাফ পৌর এলাকা ও ২টি শাহপরীর দ্বীপের মালিকানাধীন। প্রত্যক্ষদর্শী জেলেদের বরাতে তিনি বলেন, অন্তত ২০-৩০টি ট্রলারে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। হঠাৎ ২টি স্পিডবোটে করে আরাকান আর্মির সশস্ত্র সদস্যরা এসে অস্ত্রের মুখে ৫টি ট্রলারসহ ৪০ জন জেলেকে ধরে নিয়ে যায়।
বোট মালিক সমিতি জানিয়েছে, ঘটনাটি বিজিবি, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আরাকান আর্মির ওয়েবসাইট গ্লোবাল আরাকান আর্মি–তেও বাংলাদেশি জেলেদের আটক করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৫ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ১৩টি ট্রলারসহ ৮১ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল সংগঠনটি, যাদের এখনও ফেরত পাওয়া যায়নি। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর থেকে মোট ৩২৫ জন বাংলাদেশি জেলেকে অপহরণ করেছে আরাকান আর্মি। এর মধ্যে বিজিবির প্রচেষ্টায় কয়েক দফায় ১৮৯ জনকে মুক্ত করা হলেও বাকিদের ভাগ্য এখনো অজানা।
0 Comments