চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসেন জানান, মাতারবাড়ীতে কায়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের ২৩ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ডিসির নাম বাদ দিতে নথি জালিয়াতি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলায় গত ১ জুলাই বিচারক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
তদন্তে উঠে এসেছে, আদালতের নথিপত্রে নানা কৌশলে জেলা প্রশাসকের নাম বাদ দিয়ে পাঠানো হয়েছে। ফৌজদারি দরখাস্ত রেজিস্ট্রারে ২৮ জন আসামির নাম থাকলেও পরে ৩টি পৃষ্ঠা পাল্টে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জাফর আলমের নাম বসানো হয়েছে এবং বাদীর স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।
মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ১,৪১৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, ক্ষতিপূরণ বাবদ বরাদ্দ ছিল ২৩৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে চিংড়িঘের বাবদ বরাদ্দকৃত ৪৬ কোটি টাকার মধ্যে মনগড়া ২৫টি ঘের দেখিয়ে ১৯ কোটি ৮২ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করা হয়েছে।
ফলে, আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন পাঁচ আসামি। সাবেক ডিসি রুহুল আমিন ২০১৭ সালে দুর্নীতির মামলায় কারাগারে যান, পরে জামিনে মুক্তি পান। সাবেক জেলা ও দায়রা জজ সাদিকুল ইসলাম বর্তমানে অবসরে রয়েছেন।
0 Comments