বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ধর্ষণ মামলার সন্দেহভাজন শয়ন শীলকে গ্রেপ্তারের পর ইউপিডিএফ আন্দোলন তীব্র করে এবং বিক্ষোভ, হরতাল ও অবরোধের মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে সংঘর্ষ, অ্যাম্বুলেন্সে হামলা, গুলি ও ভাঙচুর হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি পাহাড়ি-বাঙালি দাঙ্গার রূপ নেয়, যা সেনা, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে আসে।
২৭ সেপ্টেম্বরের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর তিন অফিসারসহ অন্তত ১০ সদস্য আহত হন। ইউপিডিএফ সশস্ত্র গ্রুপ ১০০–১৫০ রাউন্ড গুলি চালায়। পরবর্তীতে রামসু বাজার এলাকায় অগ্নিসংযোগ ও দাঙ্গা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
সেনাবাহিনী জানায়, ইউপিডিএফ বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দেশীয় অস্ত্রসহ পার্বত্য অঞ্চলে আনছে এবং শিশু ও নারীদের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছে। বিজিবি একটি বাস থেকে বিপুল অস্ত্র জব্দ করেছে।
বিবৃতিতে সেনাবাহিনী সব রাজনৈতিক দল ও জনগণকে সংযত থাকার আহ্বান জানায় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
0 Comments