রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যেই তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার মতো সুপারিশগুলোর প্রায় অর্ধেক বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই অন্তত ৭০ শতাংশ সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
ড. নজরুল বলেন, সংবিধান সংশ্লিষ্ট সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐকমত্য অপরিহার্য, কারণ অধ্যাদেশ বা নির্বাহী আদেশে সংবিধান সংশোধন সম্ভব নয়। তবে কিছু প্রস্তাব সংবিধান সংশ্লিষ্ট বলে মনে হলেও বাস্তবে তা কার্যপ্রণালী সংশোধনের মাধ্যমেই সমাধানযোগ্য। উদাহরণস্বরূপ, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রধান কে হবেন তা কার্যপ্রণালী বিধি পরিবর্তনের মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব।
আইন উপদেষ্টা আরও জানান, বিদ্যুৎ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে বাকি কমিশনগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই চলছে। ইতোমধ্যে কিছু বাস্তবায়নও শুরু হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই প্রয়োজনীয় সব আইনি সংস্কার শেষ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পর কোনো আইনি সংশোধন সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
সভায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভা পরিচালনা করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। কমিশনে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ, ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও ড. আইয়ুব মিয়া।
0 Comments