তিনি বলেন, ডাকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেল ভালো করতে পারে, এতে আশাবাদী হওয়া স্বাভাবিক। তবে এই আত্মবিশ্বাস যেন অহংকারে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি কর্মীদের প্রতি বিনয়ী আচরণ ও পরিবর্তনের রাজনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
ড. মির্জা গালিব তার পোস্টে লেখেন, “সারা দেশের জামায়াত-শিবিরের ভাই-বোনেরা, ডাকসুতে খুব সম্ভবত শিবিরের সমর্থিত প্যানেল ভাল করবে। এইটা আপনাদেরকে আশাবাদী করে তুলবে, কনফিডেন্স বাড়িয়ে দেবে—তাতে কোনো প্রবলেম নাই। কিন্তু এই কনফিডেন্সের ঠেলায় অহংকারী আচরণ শুরু করে দিয়েন না। লম্বা-চওড়া শ্লোগান দিয়েন না।”
তিনি আরও বলেন, মানুষের মন পড়তে হবে এবং তরুণ প্রজন্মের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা বোঝা দরকার। তরুণদের মধ্যে যারা বাংলাদেশপন্থী, ইসলামপন্থী, ভালো ছাত্র, ভালো মানুষ, ভালো নেতা—তাদেরকেই মানুষ ভোট দিতে চাইছে। মানুষ পরিবর্তন চাইছে। মানুষ দুর্নীতি, সন্ত্রাস-সহিংসতা, চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি চাইছে।
ড. গালিব উল্লেখ করেন, মেয়েরা সংকোচ কাটিয়ে ভোট দিচ্ছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও ভোট দিচ্ছে—তাদের এই আস্থার সামনে বিনয়ী হয়ে থাকতে হবে। গালাগালির জবাবে নীরব থাকতে হবে, অভদ্রতার জবাবে ভদ্রতা দেখাতে হবে।
আগামী দিনের দিকেও দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মানুষকে কালকের দিনটা পালটাইয়া দেওয়ার স্বপ্ন শুনান। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মত মানুষ ভালো রাজনীতির পেছনে লাইন ধরবে সামনের দিনগুলোতে।”
0 Comments