আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং তারা বাড়ি ফিরবেন না। সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষকরা ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দিতে সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।
সড়ক অবরোধের কারণে কয়েক কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রী দীর্ঘক্ষণ আটকে থেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অর্থ সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিক্ষা প্রকল্প থেকে প্রায় ১ হাজার ২৫০ জন স্থানীয় বাংলাদেশি শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, তাদের বেতন বৃদ্ধির দাবির প্রেক্ষিতে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনো দায়িত্বে রয়েছেন।
এর আগে এক দফা অবরোধ কর্মসূচি থেকে প্রশাসনের আশ্বাসে সরে দাঁড়িয়েছিলেন শিক্ষকরা। কিন্তু দাবি পূরণ না হওয়ায় সোমবার আবারও সড়ক অবরোধে নামেন তারা। এ অবস্থায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে সাধারণ যাত্রী ও গাড়িচালকদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
0 Comments