স্থলবন্দর পরিদর্শনে দেখা যায়, গোডাউন তালাবদ্ধ, নেই পণ্যবাহী ট্রলার কিংবা শ্রমিকদের কোলাহল। বন্দর এলাকায় ছড়িয়ে আছে স্তব্ধতা। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মিয়ানমারে রপ্তানির জন্য রাখা আলু, সিমেন্টসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।
বন্দরের এজেন্ট মো. কাইয়ুম জানান, রাখাইন রাজ্যে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী 'আরাকান আর্মি'র সম্মতি না পাওয়ায় রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। আর মিয়ানমার থেকেও কোনো পণ্য আসছে না। অন্যদিকে রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে কোনো নোটিশ পাননি।
বন্দরের রাজস্ব আদায় পরিস্থিতিও ভয়াবহ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আদায় হয়েছিল ৬৪০ কোটি টাকা, আর চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে মাত্র ১১০ কোটিতে। গেলো চার মাসে কোনো রাজস্ব আদায় হয়নি।
বন্দরের দোকানপাটও বন্ধ হয়ে গেছে। শ্রমিক সর্দার আলম বলেন, “দেড় হাজার শ্রমিক পরিবারসহ কষ্টে আছে, আয় নেই, কাজ নেই।” ব্যবসায়ী মো. আব্দুল্লাহর দাবি, “আমার ১৫ ট্রাক আলু পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে, অর্ধ কোটি টাকা লোকসান।”
কক্সবাজার চেম্বার সভাপতি আবু মোর্শেদ খোকা বলেন, “এই স্থবিরতা দূর করতে সরকারি হস্তক্ষেপ ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান জরুরি।”
0 Comments