ভিডিওটিতে দেখা যায়, শ্যামলী চৌধুরী তার স্বামী, দুই শিশু ও এক তরুণীকে নিয়ে একটি বাড়ির দরজায় বসে “একটা গরুর রান দেন গো” বলে অনুনয় করছেন। তাদের কথায় ছিল নাটকীয়তা ও হালকা হাস্যরস। তারা বলেন—“আপনারা বড়লোক, একটা রান দিলেই হইতো। আল্লাহ্ আপনেগো বরকত দিব।” পরে ঘরের ভেতর থেকে এক তরুণী এক পোটলা মাংস দিলে তা দেখে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং মাংস ফেলে চলে যান।
এই দৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, সাবেক জনপ্রতিনিধি হয়ে এমন কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে তারা ভিউ এবং আলোচনায় থাকার চেষ্টা করছেন, যা অনৈতিক ও জনমনে নেতিবাচক বার্তা ছড়ায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভিডিওটি ফরিদা পারভীনের মেয়ের পরিচালিত একটি ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নেটিজেনদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে এই অভিনয়কে অপমানজনক ও রাজনীতির নামে লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন।
এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও শ্যামলী চৌধুরীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তার বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ দল। তারা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা নাটক করে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছে। আমি মনে করি, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা উচিত।”
শ্যামলী চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তার ছবি স্থানীয় অনেক নেতার সঙ্গে বিভিন্ন সভা-সমাবেশেও দেখা গেছে।
0 Comments