পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৬টার দিকে নদী থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। অটোরিকশার ভেতরেই পাওয়া যায় দু’জনের মরদেহ। এর আগে স্থানীয়দের সহায়তায় খালেদা বেগমের ছেলে কামাল হোসেন (১৯) কে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তিনি এখন স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, পরিবারটি ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় বসবাস করে। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি নবীনগরে যাচ্ছিলেন তারা। ফেরিতে ওঠার সময় খালেদা বেগম, তার ছেলে কামাল ও পুত্রবধূ ফারজানা অটোরিকশায় ছিলেন। অন্যদিকে চালক কুদ্দুছ ও আরেক ছেলে সাগর মিয়া বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ফেরিতে সামান্য ঝাঁকিতেই অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। কামাল হোসেন কোনোভাবে বের হয়ে আসলেও বাকি দুইজন ভেতরে আটকে যান।
ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। সকাল থেকেই নদীতে তল্লাশি চালায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যায় গাড়ি উদ্ধারের সময় অটোরিকশার ভেতর পাওয়া যায় মরদেহ দুটি।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাত হোসেন জানান, ফেরিতে নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ দুর্ঘটনাকে তিনি “অত্যন্ত মর্মান্তিক” বলে উল্লেখ করেন।
0 Comments