জাহাজে ছিলেন ১২ জন আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মী, যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সুইডেনের পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান, ফ্রান্স, জার্মানি, তুরস্ক, স্পেন, ব্রাজিল ও নেদারল্যান্ডসের নাগরিকরাও রয়েছেন।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘ম্যাডলিন’ কে ব্যঙ্গ করে ‘সেলফি ইয়ট’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, এ যাত্রা ছিল গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রচেষ্টা। ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা জাহাজটিকে আশদাদ বন্দরে সরিয়ে নিচ্ছে।
এদিকে ফ্রিডম ফ্লোটিলা জানিয়েছে, ইসরায়েল বাহিনী জাহাজের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে এবং জাহাজ দখল করে নিয়েছে। টেলিগ্রামে প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা গেছে, জাহাজের আরোহীরা হাত তুলে বসে আছেন, যা জাহাজ দখলের ইঙ্গিত দেয়।
জাহাজটি ১ জুন ইতালির কাতানিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে, গাজার প্রথম নারী মৎস্যজীবী ম্যাডলিনের নামে নামকরণ করা হয়। উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। অনাহারে এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।
ত্রাণে ছিল ময়দা, চাল, শিশুদের দুধ, স্যানিটারি পণ্য, চিকিৎসা সামগ্রী, পানি বিশুদ্ধকরণ কিট, হুইলচেয়ার ও কৃত্রিম অঙ্গ। অথচ গাজার ৯০ শতাংশ মানুষই এখন খাদ্য সংকটে ভুগছেন, বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের শামিল এবং বিশ্বজনমতের প্রতি অবজ্ঞার প্রতিফলন।
0 Comments