মামলাটি দায়ের করেছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার ইসলামবাগ এলাকার বাসিন্দা জুয়েল রানা। মামলার প্রধান আসামি দেবীগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি আশরাফুল আলম এমু। উল্লেখযোগ্য অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হাসনাৎ জামান চৌধুরী জর্জ, সাংগঠনিক সম্পাদক দীপঙ্কর রায়, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহম্মেদ মিঠু, সাবেক পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক আলম টবি, এবং সাবেক রেলমন্ত্রী সূর্য্য সেনের ছেলে কৌশিক নাহিয়ান নাবিদ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্লাবন পাটোয়ারী প্রমুখ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৬ মে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ভার্চুয়াল বৈঠকে আসামিরা দেবীগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে নাশকতার পরিকল্পনা করেন। বৈঠকের ৮ মিনিটের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়। ক্লিপে আশরাফুল আলম এমুর কণ্ঠে ইসলামী ব্যাংকের কয়েকটি শাখায় আগুন দেওয়ার এবং বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা শোনা যায়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। মামলাটি ৫ জুন দেবীগঞ্জ থানায় দায়ের করা হলেও রহস্যজনক কারণে তা গোপন রাখা হয়েছিল। দেবীগঞ্জ থানার ওসি সোয়েল রানা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এই মামলার মাধ্যমে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
0 Comments