সিবি ডেক্স: দেশে এবার প্রথমবারের মতো ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে টানা ১০ দিনের সরকারি ছুটি পেলেও, সেই ছুটিতে কক্সবাজারে আশানুরূপ পর্যটকের ঢল নামেনি। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বৃষ্টিপাতের কারণে কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল ও কটেজের প্রায় ৭০ শতাংশ কক্ষ এখনো খালি রয়েছে বলে জানালেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, ছুটির মাঝামাঝি, বিশেষ করে ৯-১৩ জুন সময়কালে পর্যটকের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাবে। এজন্য প্রশাসন ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যেই সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।
ওশান প্যারাডাইস হোটেলের বিপণন ব্যবস্থাপক ইমতিয়াজ নুর সোমেল বলেন, “পর্যটকেরা কক্ষ বুকিং করছেন ৯ জুন থেকে। ধারণা করছি, এই সময় কক্সবাজারে লাখের কাছাকাছি পর্যটক অবস্থান করবে।”
হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, “এখনও পর্যন্ত আমাদের আওতাভুক্ত হোটেল-মোটেলের ৩০ শতাংশ কক্ষই বরাদ্দ হয়েছে। বৃষ্টির প্রকোপ কমলে পর্যটক বাড়বে বলে মনে করছি।”
টুয়াক সভাপতি মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, “যদিও শুরুতে সাড়া কম, তবে লম্বা ছুটির সুবিধা কাজে লাগিয়ে ঈদের কয়েকদিন পর কক্সবাজার আবার পর্যটকে মুখর হবে বলে আশা করছি।”
এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুত প্রশাসন। তিনস্তরের নিরাপত্তা, সৈকতে মোবাইল টিম ও সাদা পোশাকে পুলিশ টহল, ওয়াচ টাওয়ার পর্যবেক্ষণসহ ট্যুরিস্ট পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসপি নিত্যানন্দ দাশ বলেন, “তিন লাখ পর্যটকের জন্য সেবা নিশ্চিত করতে স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সভা করেছি। পর্যটকদের হয়রানি বন্ধে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
এছাড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফি বলেন, “অতিরিক্ত ভাড়া ও চাঁদাবাজি বন্ধে ইতোমধ্যে কড়া নির্দেশনা ও মনিটরিং চালু রয়েছে। রেস্টুরেন্টে মূল্যতালিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।”
0 Comments