চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে লোহার পাত, কাঠ ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে অস্ত্র তৈরি করে আসছিল। তার কারখানা থেকে উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে অস্ত্রের বডি, ব্যারেল, কাঠের বাঁট, রাইফেলের গুলির খোসা, শটগানের কার্তুজ, ফায়ারিং পিন ও অস্ত্র তৈরির বিশেষ যন্ত্রপাতি।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে—এই অস্ত্র তৈরির সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত চলমান রয়েছে। নুরুল আলমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে।
চকরিয়া অঞ্চলে এমন একটি গোপন অস্ত্র কারখানা সনাক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, অস্ত্র কারবার ও অপরাধমূলক কার্যক্রম দমনেই এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
0 Comments