সামসাদকে একাধিকবার বিদ্যুতের তারে শক দেওয়া হয় এবং সেটি ভিডিও করে ভাইরাল করা হয়। এতে দেখা যায়, ছেলেটির দুই হাত বিদ্যুতের তার দিয়ে বাঁধা, এবং পাশেই এক যুবক সময় সময় তারটি প্লাগে লাগিয়ে ইলেকট্রিক শক দিচ্ছেন। ছেলেটির দেহ কেঁপে উঠছে প্রতিবার শকের সময়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সামসাদের পরিবার ইসলামপুর থানায় অভিযোগ করে। তাদের দাবি, দেড় মাস আগে সামসাদ এবং তার ভাই আনসার আলী কলকাতায় কাজে গিয়েছিল। সামসাদ মোবাইল চুরি করেনি, বরং ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শ্রমিকেরা পলাতক। পুলিশ তাদের খুঁজছে। শিশুটিকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মহেশতলার স্থানীয় বাসিন্দারাও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত কারখানার মালিক শাহেনশাহের পরিবারের একজন দাবি করেছেন, “ভিডিওটি মজার ছলে বানানো হয়েছিল।” তবে সেই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে প্রশাসন জানিয়েছে, শিশু নির্যাতন ও শিশু সুরক্ষা আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
0 Comments