সোমবার (৩ জুন) দুপুরে যশোরের রাজারহাটে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় চামড়ার হাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “চামড়া শিল্পে এতিমখানা ও মাদরাসার স্বার্থ আগে বিবেচনায় আনা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ট্যানারি মালিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২২০ কোটি টাকার প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার মন লবণ বিতরণ করা হয়েছে যাতে সংরক্ষণের মাধ্যমে ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা যায়।”
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, “চামড়া বাজারে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতার অভাব ও অসচেতনতাও চামড়া নষ্টের অন্যতম কারণ। সিন্ডিকেট ভেঙে এবং কন্ট্রোল টিমের কার্যক্রম জোরদার করে আমরা স্বচ্ছতা আনতে কাজ করছি।”
চামড়া রক্ষায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে “বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন” উল্লেখ করে শেখ বশির বলেন, “সব পক্ষ সহযোগিতা করলে দেশীয় চামড়া শিল্প আবার আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান তৈরি করতে পারবে।”
পরিদর্শনের সময় যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহার ইসলাম এবং পুলিশ সুপার রওনক জাহান উপস্থিত ছিলেন।
0 Comments