প্রতিটি রোহিঙ্গা পরিবার প্রায় ১ থেকে দেড় কেজি করে মাংস পাবে বলে জানানো হয়েছে। ঈদের দিন সকাল থেকেই ক্যাম্প ইনচার্জ ও মাঝিদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে এই মাংস।
তবে টেকনাফের ২২ হাজার রোহিঙ্গা এবারও মাংস থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন। কারণ, কোনো এনজিও সেখানকার জন্য কোরবানির পশু বা মাংস দেয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন টেকনাফের শালবাগান ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা।
স্থানীয় রোহিঙ্গা নেতা জামাল হোসেন জানান, “গতবারও আমরা পাইনি, এবারও পাচ্ছি না – এটা অপমানজনক”। তবে কিছু প্রবাসী রোহিঙ্গা আত্মীয়-স্বজন বিদেশ থেকে টাকা পাঠিয়ে কোরবানির পশু কেনার চেষ্টা করছেন। হ্নীলা ও টেকনাফের বাজার থেকে ৩০-৩৫টি গরু-মহিষ কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা।
২০২০ সালে যেখানে ৫,০০০ গরু-মহিষ কোরবানি দেওয়া হয়েছিল, ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা কমে গিয়ে মাত্র ২,০৫০টি পশুতে দাঁড়িয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও অর্থসংকট এই পশু সংকটের অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
0 Comments