কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) কার্যালয়ের মিডিয়া হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম। বিজিবি জানায়, গত সোমবার রাত আটটা ১০ মিনিটের দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ডাবল কেবিন পিকআপ হোয়াইক্যং চেকপোস্টে আসলে বিজিবির সন্দেহ হয়। পরে পিকআপটিতে তল্লাশি চালিয়ে পেছনের সিটের কভারের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকানো ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই সময় পিকআপচালক মো. সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়। তিনি চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার গোসাইলডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, একই দিন রাত নয়টার দিকে উখিয়ার পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী উলুবুনিয়া মাঝের কাঠি এলাকায় বেড়িবাঁধের ওপর তিন ব্যক্তিকে পোটলা হাতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখেন। বিজিবি সদস্যদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার কাটাখাল এলাকার রাসেল, একই এলাকার শাকিল এবং উখিয়ার চার নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লক-১-এর এফডিএমএন সদস্য খাইরুল আমিন। পরে তাদের কাছে থাকা পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩৪টি কার্টন থেকে ৩ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালানের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
টেকনাফ ও উখিয়ায় বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার ইয়াবাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।


0 Comments