জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগ তুলে সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। বুধবার চৌদ্দ অক্টোবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন। রাশেদ খাঁনের দাবি অনুযায়ী, বিগত সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেওয়ায় সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আবদুল্লাহকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিলেন নাহিদ ইসলাম। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত উনিশ জুলাই যখন আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি মানুষ শহীদ হন, ঠিক সেই দিনে সারজিস ও হাসনাত আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। সে সময় আব্দুল কাদেরের ঘোষিত নয় দফা দাবি বানচাল করার উদ্দেশ্যে তাঁরা আট দফা কর্মসূচি দিয়েছিলেন বলেও পোস্টে দাবি করা হয়। রাশেদ খাঁনের ভাষ্য অনুযায়ী, সেদিন হাসনাত আবদুল্লাহ হাসিব আল ইসলামকে মেস থেকে ডেকে নিয়ে মন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে যান। আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সেই বৈঠকে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁরা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করতে চাননি বলে অংশ নেননি। এছাড়া সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, অভ্যুত্থানের সময় তাঁরা জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নয় দফা দাবি নস্যাতের ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তবে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে অন্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও আন্দোলনের সময় তাদের ভূমিকা সঠিক ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, সারজিস আলমকে বহিষ্কারের তথ্যটি এখনো নেত্র নিউজে রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করায় সারজিস আলমকে বহিষ্কার ও হাসনাত আবদুল্লাহকে শোকজ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।


0 Comments