দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তবে কিছু এলাকায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। এলপিজির এই কৃত্রিম সংকট এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এদিন সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনলাইনে একটি বৈঠক করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরেও কেন এলপিজির ঘাটতির কথা শোনা যাচ্ছে এবং অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমদানিকারক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। যেসব এলাকায় এলপিজির সরবরাহ কম পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রী আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেন, কোথাও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হলে কিংবা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য আদায় করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এলপিজির বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনগুলোকে আরও বেশি সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।


0 Comments