নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়নের গোয়ালগ্রামে মসজিদের নামে দান করা জমিতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ করে সোয়া তিন বিঘা জমির ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক পাঁচটার দিকে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল গোয়ালগ্রামে উপস্থিত হয়ে রাসায়নিক দ্রব্য ছিটিয়ে প্রায় সোয়া তিন বিঘা ধানি জমির ফসল ধ্বংস করে দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯৪ বছর আগে একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত বীরমন বেওয়া ওই জমি স্থানীয় মসজিদের নামে ওয়াকফ বা দান করেছিলেন। পরবর্তীতে ওয়ারিশ সূত্রে মৃত মনছের আলীর ছেলে মোজাফফর রহমান জমিটির মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গ্রামবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, মসজিদের নামে দান করা ওই জমিতে গ্রামের সাধারণ মানুষ ধানসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ করতেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ফসল বিক্রির অর্থ জমা হতো মসজিদের তহবিলে। ওই তহবিলের অর্থ দিয়েই মসজিদের উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ পরিচালনার পাশাপাশি ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হতো। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে দান করা জমির ফসল এভাবে বিষ বা রাসায়নিক প্রয়োগে নষ্ট করায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নওগাঁর পত্নীতলায় মসজিদের নামে দান করা জমিতে রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ করে সোয়া তিন বিঘা জমির ফসল নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


0 Comments