জাতীয় দলের জার্সিতে ২১ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন লিওনেল মেসি। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে হাজার হাজার দর্শকের কান্নায় ও ভালোবাসায় ঘেরা এক আবেগঘন পরিবেশে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলেছেন তিনি। বেনিনের বিপক্ষে এই বিদায়ী ম্যাচে এক গোল এবং দুটি অ্যাসিস্ট করে নিজের দেশের জার্সি গায়ে রঙিন এক সমাপনী টানলেন এই তারকা ফুটবলার। ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীতের সময় এবং স্টেডিয়ামে প্রবেশের পথে বারবার চোখের পানি মুছতে দেখা যায় মেসিকে। সতীর্থদের উষ্ণ আলিঙ্গন এবং প্রতিপক্ষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে মাঠে সময় পার করেন তিনি। খেলার প্রথমার্ধে ছন্দ পেতে কিছুটা সময় লাগলেও দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন মেসি। নিকোলাস ওতামেন্দির গোলের পর নিকো পাজকে গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন তিনি। এরপর পেনাল্টি থেকে গোল করে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১২৬তম গোলটি পূর্ণ করেন এই ফরোয়ার্ড। শৈশবের স্মৃতি, দাদি সেলিয়ার অবদান এবং গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি পেরিয়ে আসার কঠিন লড়াইয়ের দিনগুলো পেরিয়ে আসার গল্প জড়িয়ে আছে তাঁর এই দীর্ঘ পথচলায়। বার্সেলোনায় যাওয়ার শুরু থেকে শুরু করে জাতীয় দলের হয়ে বহু উত্থান-পতনের সাক্ষী মেসি অভিমানে একবার অবসরের ঘোষণা দিলেও পরে ফিরে এসে দেশকে উপহার দিয়েছেন কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপ ট্রফি। ব্যক্তিগত জীবনে নানা সংগ্রাম আর চাপের মুখেও সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজের নিষ্ঠা ও ফুটবল নৈপুণ্য বজায় রেখে অবশেষে বিদায় নিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের এই ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা।
জাতীয় দলের জার্সিতে ২১ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করে নিজের শেষ ম্যাচটি রাঙালেন তিনি।


0 Comments