নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা ৯৫০ ছাড়িয়ে গেছে। গত বুধবারের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে নেপালের বিদুর এলাকায় একটি বিধ্বস্ত বাড়ি থেকে ২৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ধারণা করছে, ওই বাড়ির মাটির নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে।
পুলিশ সুপার বিপিন রেগমি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বন্যাকবলিত বিদুর এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে পুনরায় তল্লাশি শুরু করার কথা জানান তিনি। এদিকে বেত্রাবতী পৌরসভার কর্মকর্তা মঙ্গল তামাং জানান, উদ্ধারকৃত ২৪টি মরদেহের মধ্যে একটি শিশুর মরদেহ রয়েছে, বাকিরা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ছয়টি মরদেহ হেলিকপ্টারে করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিগুলোও পর্যায়ক্রমে সেখানে নেওয়া হবে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বন্যায় অন্তত ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩ হাজার ৯২৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বত সীমান্ত এলাকায় বন্যায় ১৬ জন মারা গেছেন এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত সিএনএনের সাংবাদিক অ্যান্ডারসন কুপার বন্যার ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে পানির প্রবল স্রোতকে ‘তরল সিমেন্টের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন।
নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৯৫০ ছাড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ। নেপালের বিদুর এলাকায় একটি বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে ২৪ জনের মরদেহ।


0 Comments