ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন নৌবহর মোতায়েন রাখার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মাইক মুলেন। একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন যে, ইরান ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে—এমনটা যুক্তরাষ্ট্র কখনও ভাবেনি।
সম্প্রতি এবিসি নিউজের ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মাইক মুলেন জানান, দীর্ঘ সময় ধরে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রাখা একটি প্রচলিত বিষয় হলেও এটি জাহাজের কর্মীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন যে, বিমানবাহী রণতরীগুলোর মোতায়েন যথেষ্ট দীর্ঘ সময়ের জন্য ছিল না। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের জবাবেই সাবেক এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং প্রতিরক্ষা অভিযান প্রসঙ্গে মুলেন বলেন, ওই অঞ্চলে আগে যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করত, সেই ঘাঁটিগুলো যে ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, তা তারা স্পষ্টভাবে আশা করেননি।
এদিকে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে মোতায়েন করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিংকন’-এর সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটজনক পরিস্থিতি এবং কর্মীদের আত্মহত্যা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন সামনে এসেছে। প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন সদস্য থাকা এই রণতরীর মিশন গত ২১ নভেম্বর শুরু হয় এবং পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের একদল সদস্য যথাযথ ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন নৌবহর মোতায়েন নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাইক মুলেন। তিনি জানান, মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংসের সক্ষমতা ইরানের আছে যা অভাবনীয় ছিল।


0 Comments