২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারের ফলাফলে দেখা গেছে, দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। সোমবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রয়েছে সর্বোচ্চ ২২৬টি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এমনকি বিদেশের একটি কেন্দ্রেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে সক্ষম হয়নি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ৬৬৯টি, যা গত বছর ছিল ৯৮৪টি।
এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করছেন। যারা প্রাপ্ত ফলাফলে সন্তুষ্ট নন, তারা ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। পাসের গড় হার ৬২.২৫ শতাংশ। অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।


0 Comments