কক্সবাজারের টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে এক গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে টেকনাফ মডেল থানার এসআই দুলালের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টেকনাফ সদরের হাজম পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাজম পাড়া এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে মোঃ ইউনুছের বাড়িতে তাকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে এসআই দুলালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। ভুক্তভোগী শামিমা বেগম জানান, তাদের বিয়ের বয়স মাত্র চার মাস এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। এই কথা বলার পর এসআই দুলাল তাকে পেটে লাথি মারেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় শামিমা বেগমকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
অভিযোগের বিষয়ে এসআই দুলালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে অন্য একটি গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সত্য নয়। পুলিশ নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একজন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। কোনো পুলিশ সদস্য কাউকে আঘাত করেনি এবং চিকিৎসার বিষয়টি প্রতারণামূলক হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে এক গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এসআই দুলালের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


0 Comments