তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সারা দেশে তীব্র গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। রোববার (২ আগস্ট) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। সিএনজি চালিত যানবাহনের দীর্ঘ সারিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। পরিবহন শ্রমিকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় তাদের দৈনন্দিন আয়-রোজগারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গ্যাসের এই তীব্র সংকটে শুধু পরিবহন খাত নয়, বরং শিল্প কারখানার উৎপাদনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সাথে বাসাবাড়িতেও রান্নার কাজে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে, অনেক পরিবারে চুলা না জ্বলায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গ্যাস পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাইনে গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কম থাকায় তারা চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারছে না। জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজারের মহেশখালীতে অগ্নিকাণ্ডে একটি এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। টার্মিনালটি মেরামত করে পুনরায় চালু করতে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময় চেয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা এক্সিলারেট এনার্জি। তবে এর আগেই বন্ধ থাকা টার্মিনালের অক্ষত বয়লারটি সচল করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এটি চালু করা সম্ভব হলে বর্তমান সংকট কিছুটা লাঘব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল সচল না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগান্তি চলবে বলে জানা গেছে। এতে শিল্প ও পরিবহন খাতে স্থবিরতা নেমে এসেছে।


0 Comments