বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ৫১তম পুনর্গঠন দিবস উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি জুবেইদা কাদের চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে দেশে স্বৈরাচারী শাসন প্রতিরোধে সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং তরুণ প্রজন্মকে দলে যোগদানের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দলের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলটি নিষিদ্ধ হলেও ১৯৭৬ সালের ৮ আগস্ট প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ খান এ. সবুরের নেতৃত্বে এটি পুনরায় সংগঠিত হয়। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আজাদ পার্টির আহ্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসিনুর রহমান ভারতীয় আধিপত্যবাদ রোধ ও মুসলিম জাতীয়তাবাদ প্রসারের ওপর গুরুত্ব দেন। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম তার বক্তব্যে মুসলিম লীগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেন, এই দলের মাধ্যমেই পাকিস্তান ও পরবর্তীতে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথ প্রশস্ত হয়েছিল।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, মুসলিম লীগের অতীত উন্নয়নমূলক কাজের কারণে জনগণের মধ্যে দলটির গ্রহণযোগ্যতা পুনরায় বৃদ্ধি পাবে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, অতিরিক্ত মহাসচিব আকবর হোসেন পাঠান, কেন্দ্রীয় নেতা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মোল্লাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ৫১তম পুনর্গঠন দিবস পালিত হয়েছে। আলোচনা সভায় বক্তারা স্বৈরাচার প্রতিরোধে গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য এবং মুসলিম জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


0 Comments