কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভা কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে শফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত শফিকুলকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শেরকান্দি গ্রামের মসলেম উদ্দিনের ছেলে এবং উপজেলা যুবলীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর এস এম রফিকের ছোট ভাই।
আহত শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, সকালে তিনি পৌরসভা কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা নয়ন ও তার ছেলে আফ্রিদিসহ সাত-আটজন অতর্কিত তার ওপর হামলা চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। শফিকুলের মা রিজিয়া খাতুন জানান, তার ছেলে সকালে খাবার খেয়ে পৌরসভার সামনে গিয়েছিল। হামলার মুখে সে দৌড়ে ভবনের ভেতরে ঢুকলে সেখানে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহমুদ রেজা জানান, তিনি নতুন যোগদান করেছেন এবং কাউকে চেনেন না। তবে ধুপধাপ শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখেন কয়েকজন মিলে একজনকে মারধর করছে। ঘটনার পর কার্যালয়ের মেঝেতে রক্ত ছড়িয়ে থাকতে দেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযুক্ত নয়ন হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি এই ঘটনায় জড়িত নন। তার দাবি, শফিকুল এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে থাকতে পারে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভা কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।


0 Comments