চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে নুরুল আলম নামে এক যুবলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে কারা কর্তৃপক্ষ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। নিহত নুরুল আলম সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে ভূমি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে অংশ নিতে সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) কার্যালয়ে যাওয়ার পথে থানার গেট এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং ২০২৪ সালের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছিল এবং বুধবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এদিকে নুরুল আলমের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, সাতকানিয়ার কেরানীহাট কেন্দ্রিক ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা নিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তরের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত আদালতে পাঠানো হয়েছিল। থানায় কোনো ধরনের নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি এবং তিনি সুস্থ অবস্থায় আদালতে গিয়েছিলেন।
চট্টগ্রাম কারাগারে নেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে সাতকানিয়ার যুবলীগ নেতা নুরুল আলমের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।


0 Comments