চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট এলাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রোপণ করা তেলি গর্জনের চারাটির সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ও দোহাজারী–কক্সবাজার রেললাইনের মধ্যবর্তী স্থানে গত ১৩ জুন ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এই চারাটি রোপণ করেন। বর্তমানে চারাটির চারপাশে বাঁশের বেড়া ও পরিচিতিফলক স্থাপনের পাশাপাশি রাতে পাহারার জন্য একটি আমগাছের ওপর মাচা তৈরি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এই তেলি গর্জন ছাড়াও ওই এলাকায় আরও দুই হাজার দেশীয় প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়েছে। এসব চারার পরিচর্যায় নিয়োজিত রয়েছেন পাঁচজন শ্রমিক। শ্রমিক আবুল হোছেন ও নুরুল ইসলাম জানান, গবাদিপশু ও মানুষের হাত থেকে চারাগুলো রক্ষায় তারা দিনরাত পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছেন। চারাগুলোর গোড়ায় যেন পানি না জমে, সে জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাটি কেটে নিষ্কাশন ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অনিমেষ বিশ্বাস জানান, তেলি গর্জন পাহাড়ি এলাকায় মাটির ক্ষয়রোধ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি উচ্চতায় ৩৫ থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে একটি বিরল নাগলিঙ্গম চারাও রোপণ করেছেন। কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর রোপণ করা চারাসহ সব গাছের সুরক্ষায় সার্বক্ষণিক টহল ও বৈজ্ঞানিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকার বর্তমানে বিদেশি প্রজাতির পরিবর্তে দেশীয় গাছ রোপণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চকরিয়ার মালুমঘাটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রোপণ করা তেলি গর্জন চারার সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা। বাঁশের বেড়া ও পরিচিতিফলকের পাশাপাশি রাতে পাহারার জন্য তৈরি করা হয়েছে মাচা।


0 Comments