বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় আসা হান্টাভাইরাসে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ছয়জনের দেহে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে যে, এটি নতুন কোনো মহামারির শুরু নয়। শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, একটি প্রমোদতরীতে প্রাদুর্ভাবের পর সন্দেহভাজন আটটি ঘটনার মধ্যে ছয়জনের দেহে সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। আক্রান্তদের সবাই অ্যান্ডিস ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যন ক্যারকোহভ জানিয়েছেন, এমভি হন্ডিয়াস নামক জাহাজের সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং রোগীদের সেবায় নিয়োজিতদের সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হান্টাভাইরাস সাধারণত খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায় এবং এর সংক্রমণের ধরন কোভিড বা ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট জাহাজে সীমাবদ্ধ প্রাদুর্ভাব হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি ছয় বছর আগের মতো নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডব্লিউএইচও-র মহাপরিচালক টেড্রোস ঘেব্রেয়েসাস জানান, প্রাদুর্ভাবের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আক্রান্ত ব্যক্তিরা আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়ে সফরের সময় নির্দিষ্ট প্রজাতির ইঁদুরের সংস্পর্শে এসেছিলেন যা এই ভাইরাস বহন করে। বর্তমানে আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষের সাথে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
হান্টাভাইরাসে তিনজনের মৃত্যু ও ছয়জন শনাক্তের তথ্য নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে এটি নতুন কোনো মহামারি নয় বরং একটি প্রমোদতরীতে সীমাবদ্ধ প্রাদুর্ভাব বলে আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি।

0 Comments