টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকায় বহু বছরের পুরনো একটি খাল গতিপথ পরিবর্তনের ফলে ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনেক মানুষের রেকর্ডীয় জমি খালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরএস ও বিএস রেকর্ডে খাস হিসেবে থাকা খালটির ভরাট হওয়া অংশ প্রভাবশালী একটি চক্র জবরদখল করে রেখেছে বলে দাবি করেছেন তারা। এতে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, খালের গতিপথ পরিবর্তনের কারণে অনেকের জমি নদী-খালের ভাঙনে হারিয়ে গেছে। তারা জরুরি ভিত্তিতে ডিয়ারা জরিপ পরিচালনা করে রেকর্ডীয় জমি মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কৃষকদের মতে, খালটি পুনরায় খনন করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হলে এলাকার বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি রক্ষা পাবে।
বর্তমান সরকারের খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা উত্তর শিলখালীর পাহাড় থেকে উৎপন্ন এই খালটি দ্রুত খননের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসী জানান, খালের একটি অংশ দেখা গেলেও বড় একটি অংশ বর্তমানে ভরাট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
টেকনাফের বাহারছড়ায় পুরনো খাল ভরাট ও জবরদখলের কারণে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। রেকর্ডীয় জমি রক্ষা ও খালটি পুনরায় খননের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

0 Comments